২২৫টি উড়োজাহাজ কিনতে বোয়িংয়ের সঙ্গে চুক্তি করছে টার্কিশ এয়ারলাইনস। সংস্থাটি জানিয়েছে, এরই মধ্যে ৭৫টি বোয়িং বি৭৮৭ উড়োজাহাজ কেনার সিদ্ধান্ত হয়েছে। একই সঙ্গে ১৫০টি ৭৩৭-৮/১০ ম্যাক্স মডেলের আকাশযান কেনার বিষয়ে মার্কিন জায়ান্টটির সঙ্গে আলোচনা শেষ করেছে। তবে ম্যাক্স মডেল কেনার বিষয়টি ইঞ্জিন নির্মাতা সিএফএম ইন্টারন্যাশনালের সঙ্গে চূড়ান্ত আলোচনার ওপর নির্ভর করছে। খবর রয়টার্স।
গত বৃহস্পতিবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোগান। এর পর দিনই বোয়িং থেকে ২২৫টি উড়োজাহাজ কেনার ঘোষণা দিল টার্কিশ এয়ারলাইনস। এর আগে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তির অংশ হিসেবে একাধিক দেশ বোয়িং থেকে উড়োজাহাজ কেনার কথা জানায়।
এরদোগানের সঙ্গে আলোচনা প্রসঙ্গে ট্রাম্প জানান, তিনি বিশ্বাস করেন যে তুরস্ক অনুরোধ মেনে রাশিয়া থেকে জ্বালানি তেল কেনা বন্ধ করবে। তিনি আঙ্কারার ওপর থেকে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা তুলে নিতে পারেন, যাতে দেশটি এফ-৩৫ যুদ্ধবিমান কিনতে পারে।
ইস্তাম্বুল স্টক এক্সচেঞ্জে দেয়া বিবৃতিতে টার্কিশ এয়ারলাইনস গতকাল জানিয়েছে, তারা বোয়িংয়ের কাছ থেকে ৭৫টি বি৭৮৭-৯ ও বি৭৮৭-১০ মডেল কেনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে, যার মধ্যে ৫০টি নিশ্চিত ও ২৫টি শর্তাধীন ক্রয়াদেশ।
২০২৯-৩৪ সালের মধ্যে ক্রয়াদেশকৃত উড়োজাহাজগুলো সরবরাহ করা হবে। এছাড়া ইঞ্জিন, অতিরিক্ত ইঞ্জিন ও রক্ষণাবেক্ষণ পরিষেবা বিষয়ে রোলস-রয়েস ও জিই অ্যারোস্পেসের সঙ্গে আলোচনা চলছে।
টার্কিশ এয়ারলাইনস আরো জানিয়েছে, ১৫০টি অতিরিক্ত উড়োজাহাজ কিনতে বোয়িংয়ের সঙ্গে আলোচনা শেষ করেছে। এর মধ্যে ৭৩৭-৮/১০ ম্যাক্স মডেলের ১০০টি নিশ্চিত এবং ৫০টি শর্তাধীন ক্রয়াদেশ। তবে সিএফএম ইন্টারন্যাশনালের সঙ্গে ইঞ্জিন সংক্রান্ত আলোচনা সফল হলে এ মডেলের ক্রয়াদেশ সম্পন্ন হবে।
তুরস্কের এয়ারলাইনস সংস্থাটি বলছে, এ ক্রয়াদেশগুলোর মাধ্যমে ২০৩৫ সালের মধ্যে আমাদের পুরো বহরকে নতুন প্রজন্মের উড়োজাহাজে রূপান্তর করতে চাই। এটি আমাদের কার্যক্রমের দক্ষতা বাড়াবে এবং বার্ষিক প্রায় ৬ শতাংশ হারে প্রবৃদ্ধি অর্জনে সহায়তা করবে।